শনিবার, ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

© 2026 বাস্তব চিত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

সকল কারিগরি সহায়তায়: টেকবাড়ি ডটকম

বিজ্ঞাপন | পজিশন: header_bottom

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন বুকিং →

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ জুলাই, ২০২৬, ০৫:৫০ পিএম
২৬০ পঠিত
চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

সর্বশেষ খবরের তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে

আমাদের অফিসিয়াল চ্যানেলে যুক্ত থাকুন

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক সড়কে ভাঙনের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। জেলায়...

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন সড়ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক সড়কে ভাঙনের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।

জেলায় সড়ক ও অবকাঠামো খাতে যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের আওতাধীন সড়কগুলোর মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৩১ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

এলজিইডি সূত্র জানায়, দুই উপজেলার ২৬টি সড়কের প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে গিয়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আনুমানিক ২৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন | পজিশন: article_middle

সংবাদের ভেতরে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চান?

সহজেই আকর্ষণীয় ইন-ফিড ব্যানার স্পটে আপনার ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুন।

যোগাযোগ করুন →

অন্যদিকে, সওজের তথ্যমতে, দুই উপজেলার সাতটি সড়ক কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব সড়কে পানির কারণে বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়, ভাঙন ও অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। এতে আনুমানিক ৩ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, চকরিয়া ও মাতামুহুরীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বন্যার পানি আটকে থাকার অন্যতম কারণ ছিল স্লুইসগেটের অব্যবস্থাপনা। এ অঞ্চলের মোট ১০৩টি স্লুইসগেটের মধ্যে প্রায় ১০টি অকেজো ছিল। বাকি ৯৩টি সচল থাকলেও অনেকগুলোর কপাট প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মাছ ধরার জাল বসানোর জন্য আটকে রেখেছিলেন। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা সড়কের ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে স্লুইসগেটগুলো খুলে দেয়।

মাতামুহুরী উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আসিফ নেওয়াজ বলেন, বন্যায় ইউনিয়নের প্রায় সব সড়কই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে কোথাও যেতে পারছে না।

বিজ্ঞাপন | পজিশন: article_middle

সংবাদের ভেতরে আপনার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চান?

সহজেই আকর্ষণীয় ইন-ফিড ব্যানার স্পটে আপনার ক্যাম্পেইন পরিচালনা করুন।

যোগাযোগ করুন →

চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঈনুল আমিন বলেন, বন্যায় শান্তি বাজার থেকে বুড়ির দোকান সড়কে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার না করলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আরিফ হোসেন বলেন, বন্যার ভয়াবহতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নিচু এলাকার সড়কগুলো। দুই উপজেলার এলজিইডির আওতাধীন প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

সওজের চকরিয়া ও মাতামুহুরী অঞ্চলের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, প্রাথমিকভাবে সওজের আওতাধীন সড়কগুলোর প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়েছে।

সূত্র: কালবেলা